. .
সায়মুন ডেস্ক
প্রকাশ : Oct 1, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

কলাতলীতে দোকান নির্মাণ সংক্রান্তে প্রকাশিত সংবাদ নিয়ে সুন্দরবন হোটেল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

কক্সবাজার শহরের কলাতলী মোড়স্থ এলাকায় অবস্থিত খালি প্লটে অস্থায়ী দোকান নির্মাণ নিয়ে বক্তব্য দিয়েছে সৈকত সুন্দরবন হোটেল লিমিটেড কর্তৃপক্ষ। এই কোম্পানি থেকে দাবি করা হচ্ছে নির্মাণাধীন অস্থায়ী দোকান বৈধ এবং জমিগুলো আইনগতভাবে সৈকত সুন্দরবন হোটেল লিমিটেডের মালিকানাধীন। তাই অস্থায়ীভাবে  দোকানগুলো নির্মাণ করা হচ্ছে। এই নিয়ে সংশ্লিষ্টদের বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান করা হয়েছে।

এই প্রসঙ্গে সৈকত সুন্দরবন হোটেল লিমিটেডের স্থানীয় দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিনিধি কামরুল ইসলাম বলেন, দোকান নির্মাণ করা প্লটটি সরকারের বাতিল প্লটগুলোর আওতাভুক্ত নয়। এই প্লটটি সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি প্লট এবং এটি সৈকত সুন্দরবন হোটেল লিমিটেডের সরকারি বন্দোবস্তপ্রাপ্ত জমি।

কর্তৃপক্ষ জানান সংশ্লিষ্ট জমির মূল মালিক ছিল বাংলাদেশ সরকার। পরবর্তীতে সরকারি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জমিটি সৈকত সুন্দরবন হোটেল লিমিটেডের পক্ষে বন্দোবস্তো দেয়া হয়। ২০০৪ সালের ২৯ জানুয়ারি কক্সবাজারের জেলা কালেক্টরের মাধ্যমে ১৯৪২ নম্বর বন্দোবস্তি দলিলের ভিত্তিতে ৪ দশমিক ৫০ একর জমি  সৈকত সুন্দরবন হোটেল লিমিটেডকে হস্তান্তর করা হয়। পরবর্তীতে বিএস ৪৬১৩ নম্বর খতিয়ানে নামজারি করা হয় এই প্রতিষ্ঠানের নামে- যা ঝিলংজা মৌজার হোটেল-মোটেল জোনের অন্তর্ভুক্ত বিএস খতিয়ান নম্বর ৬ এবং বিএস দাগ নম্বর ২০০০৩ ও ২০০০৩/১-এর ৪ দশমিক ৫০ একর।

সৈকত সুন্দরবন হোটেল লিমিটেডের প্রতিনিধি  কামরুল ইসলাম বলেন, বন্দোবস্তো প্রাপ্তির পর সৈকত সুন্দরবন হোটেল লিমিটেডের পক্ষ থেকে ওই জমিতে বৈশাখী রেস্টুরেন্টসহ বিভিন্ন অস্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ ও ভোগদখল রাখা হয়। 

তিনি বলেন, অদ্ভূত পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে এই প্লটের প্রেক্ষাপটে সৈকত সুন্দরবন হোটেল লিমিটেড সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ডিসিশনের একটি বেঞ্চে এক রীট পিটিশনের ভিত্তিতে ২০২৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারির আদেশে হাইকোর্ট সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশ্যে রিটকারী পক্ষের স্থাপনা—বিশেষ করে বৈশাখী রেস্টুরেন্ট ও সীমানাপ্রাচীরসহ কোনো স্থাপনা ভেঙে ফেলা যাবে না।

সুপ্রীম কোর্টের আদেশে বলা হয়েছে,  আদালতের আদেশ সম্পর্কে অবগত কোনো ব্যক্তি ওই আদেশের পক্ষভুক্ত না হলেও, আদেশের ফলাফলের ওপর প্রভাব পড়লে তাকে আদালতের নির্দেশ মেনে চলতে হবে। এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের ৫৩ ডিএলআর (আপিল বিভাগ) ৭০ মামলার সিদ্ধান্তে উল্লেখ করা হয়েছে।

সার্বিক প্রসঙ্গে সৈকত সুন্দরবন হোটেল লিমিটেডের প্রতিনিধি কামরুল ইসলাম বলেন, সম্প্রতি যে অস্থায়ী  দোকানগুলো নির্মাণ হচ্ছে তাতে আদালতের কোনো বারিত নেই। সে মোতাবেক সম্পূর্ণ নিষ্কন্টক পরিস্থিতিতে অস্থায়ী দোকানগুলো নির্মাণ করা হচ্ছে। সৈকত সুন্দরবন হোটেল লিমিটেডের ক্ষমতাভুক্ত হিসেবে নির্মাণাধীন এসব দোকান কোনোভাবে অবৈধ হতে পারে না। আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে বৈধভাবে দোকানগুলো নির্মান করছি। 

এই সংক্রান্ত গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের তথ্যগুলো আদৌ সত্য নয়। তাই প্রচারিত ও প্রকাশিত উক্ত সংবাদগুলোর ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ করা হচ্ছে।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মাদরাসার দেওয়ালধসে ৪ শিক্ষার্থীর মৃ

1

কক্সবাজার কেন্দ্রীয় ঈদগাহে ঈদের প্রস্তুতি পরিদর্শনে এমপি কাজ

2

দেড় থেকে দুই কোটি মানুষকে টিসিবির পণ্য দেওয়া সম্ভব: বাণিজ্য

3

গর্জনিয়ায় মাদক, জুয়া, অস্ত্র ও চোরাচালানবিরোধী র‌্যালি-সমাবে

4

ভারতে ওসমান হাদি হত্যার প্রধান আসামিসহ ২ জন আটক : আইএসপিআর

5

১১ জেলায় নতুন ডিসি নিয়োগ

6

হোয়াইক্যং সীমান্তে ৪০ হাজার ইয়াবাসহ আটক ১

7

ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভা আজ

8

একটি ষড়যন্ত্র দেখতে পাচ্ছি আমাদের রুখে দেওয়ার: গোলাম পরওয়া

9

কক্সবাজারে খালেদা জিয়ার শেষ সফর ছিলো ২০১৭ সালে

10

চট্টগ্রাম মহানগরে আতঙ্কের নাম ‘ডেভিড ইমন’

11

সামিট-এক্সিলারেট চালু: জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বেড়ে ২৪০ কো

12

পর্যটন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে সৈকতে কাজ করবে ৫০ জন ভলেন্টিয়ার

13

পবিত্র শবে বরাত আজ

14

যে দেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত থাকে সে দেশের গণতন্ত্র

15

মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন আহমেদ আযম খান

16

মাতারবাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত সফর, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি

17

পরিবেশের দোহাই দিয়ে কক্সবাজারের উন্নয়ন বাধাগ্রস্তকারীদের হটা

18

বিএনপি ফটো সেশনের রাজনীতি করে না: পানিসম্পদমন্ত্রী এ্যানি

19

স্থানীয় নির্বাচনে এককভাবে অংশ নেওয়ার ঘোষণা এনসিপির

20