. .
সায়মুন ডেস্ক
প্রকাশ : Sep 24, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লায় থানার দরজা ভেঙে ভুয়া স্লোগান দিয়ে বেরিয়ে গেল ২২ কিশোর

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে সন্দেহভাজন হিসেবে ২৮ কিশোরকে আটক করা হয়েছে। তাদের থানায় নিয়ে আসাকে কেন্দ্র করে সৃষ্টি হয়েছে উত্তেজনা।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে ভুয়া ভুয়া স্লোগান দিয়ে থানার দরজা ভেঙে বেরিয়ে যায় ২২ কিশোর। এদিকে থানার সামনে ওইসব কিশোর ও তাদের অভিভাবকদের একটি হট্টগোলের ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে।

অভিভাবকরা জানান, আটক কিশোরদের মধ্যে বেশিরভাগের বিরুদ্ধে পুলিশের অপরাধ সংক্রান্ত রেকর্ড খাতায় কোনো অভিযোগ নেই। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে বিকেল থেকে আটক কিশোরদের স্বজন ও স্থানীয় লোকজন দাউদকান্দি মডেল থানার প্রধান ফটকের সামনে জড়ো হতে থাকেন।

একপর্যায়ে সেখানে হট্টগোল ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, থানার একটি কক্ষে আটক রাখা কিশোরদের কয়েকজন একপর্যায়ে ওই কক্ষের চেয়ার-টেবিল ও দরজা ভেঙে বের হয়ে যায়।

পরে আটক কিশোরদের একটি অংশ থানার সামনে জড়ো হয়ে ভুয়া ভুয়া স্লোগান দিতে থাকে।
এদিকে পুলিশি অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া সদস্যদের ভাষ্যমতে আটক সবাই কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য। তাই তাদের আটক করে থানায় আনা হয়।

এদিকে ঘটনাস্থলে এসে দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম হ্যান্ডমাইকে বক্তব্য দিয়ে উত্তেজিত জনতাকে শান্ত করার চেষ্টা করেন।

দাউদকান্দি মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম বলেন, তেমন কিছু হয়নি। অপ্রয়োজনে ঘোরাফেরার কারণে সন্দেহভাজন হিসেবে ২৮ জনকে আটক করা হয়। তাদের স্বজনরা একসঙ্গে আসায় একটু ভিড় হয়। রাত সাড়ে ১০টার দিকে ২২ জনকে অভিভাবকের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। যাছাই বাছাই শেষে বাকি ছয়জনের ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে কুমিল্লা জেলা পুলিশের অফিসিয়াল পেজে জানানো হয়েছে, কুমিল্লা জেলার প্রত্যেকটি থানায় কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে একযোগে অভিযানে ৬২৪ জনকে আটক করা হয়েছে।

ওই পোস্টে বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে উঠতি বয়সের কিশোরদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যাচ্ছে, যা সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তার পরিপ্রেক্ষিতে কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানের নির্দেশে কুমিল্লা জেলার ১৮টি থানায় একযোগে অভিযান চালানো হয়। এ অভিযানে কুমিল্লা নগরীর বিভিন্ন স্থানসহ প্রত্যেকটি থানা এলাকার বিভিন্ন স্থানে, যেখানে বখাটেদের উৎপাত রয়েছে ওই সব স্থানে অভিযান চালানো হয়। এ অভিযানে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সরাসরি অংশ নেন। অভিযানে ৬২৪ জনকে আটক করা হয়েছে। আগের কোনো অপরাধে তাদের সম্পৃক্ততা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা যেন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত হতে না পারে, সে জন্য জেলা পুলিশের অভিযান চলবে।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কক্সবাজারে হেলথ টুরিজম চালুর উদ্যোগ, দরকার আন্তর্জাতিক মানের

1

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় জেলার একমাত্র বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত বীর

2

চকরিয়ায় অপহরণের দুই দিন পর কিশোর উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১

3

গ্রিসের উপকূল থেকে বাংলাদেশিসহ ৪০০ অভিবাসনপ্রত্যাশী উদ্ধার

4

সস্তা দামে জান্নাতের টিকিট’ বিক্রির রাজনীতি এ দেশে চলবে না:

5

যত বড় রাজনৈতিক নেতাই হোক, ধর্ষণ মামলা প্রত্যাহার হবে না: আইন

6

কর্ণফুলী টানেল সড়কে ‘রাইড শো’, প্রাইভেট কারের ধাক্কায় আহত ২

7

হোয়াইক্যংয়ের কম্বনিয়া পাহাড়ে যুবকের লাশ

8

অভিযানে গিয়ে সন্ত্রাসীদের গুলিতে র‌্যাব কর্মকর্তা নিহত

9

যাত্রীবাহী বাসের চাপায় সড়কে দাঁড়িয়ে থাকা নারী নিহত

10

রামুতে ট্রেনে কাটা পড়ে যুবক নিহত

11

শপথ নিতে সংসদ ভবনে প্রবেশ করছেন নবনির্বাচিত এমপিরা

12

কক্সবাজারে ডেঙ্গু প্রতিরোধে তিন মাস প্রতি শনিবার পরিচ্ছন্নতা

13

কারামুক্ত হলেন সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক

14

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রথমবারের মতো মির্জা আব্বাস

15

বাংলা চ্যানেল পাড়ি ২ নারীসহ ৩৫ সাঁতারুর

16

অগ্নিকাণ্ডে তিন বসতঘর পুড়ে ছাই, ক্ষতি ২০ লাখ টাকা

17

কক্সবাজারের হাদি হত্যার বিচার দাবিতে সড়কে ছাত্র-জনতার ব্লকেড

18

শপথ ও ক্ষমতা হস্তান্তর নিয়ে ঘোষণা আসতে পারে আজ

19

ফেসবুকে মন্তব্যে অপহরণের অভিযোগ, জামায়াত নেতাসহ ১০ জনের বিরু

20